Translate   4 months ago

ফরেক্সের কিছু অমুল্য কথা্‌.........


1.মানি-মেনেজমেন্ট মেনে চলতে হবে...।
2. এক পেয়ারে একের অধিক ট্রেড নেওয়া যাবে না...।(ভালো পজিশন পেলে দুইটা পর্যন্ত নেওয়া যেতে পারে...)
3. যে কোনো একটি বা দুইটি কৌশল(strategy) মেনে চলতে হবে... বেশি কৌশল পরিবর্তনের ফলে লস হওয়ার সম্ভবনা বাড়ে...
5. নিজের এনালাইসিসের উপর বিশ্বাস রাখাতে হবে...
6.প্রতিটা ট্রেডে tp sl ব্যবহার করতে হবে... কোন পেয়ারে sl- হিট করার সাথে সাথে একই পেয়ারে নতুন ভাবে এন্ট্রি নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে...
7. একবারে ১৫-২০টা পেয়ারে ট্রেড না করে , অল্প সংখ্যক কিছু নির্দিষ্ট পেয়ারে ট্রেড করতে পারলে ভালো হয়... এর ফলে সেই নির্দিষ্ট পেয়ার গুলাতে ঠিক মতো নজরে রাখা অনেক সুবিধা হয়...
8. কোন পেয়ার অতিরিক্ত নেমে গেছে বা উঠে গেছে ভেবে এন্ট্রি নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, কারন অতিরিক্ত উঠা বা নামা বলে এখানে কিছুই নেই! ১০০০-২০০০ পিপ্স যেকোন পেয়ার উঠতে বা নামতে পারে...
9. প্রতিদিন ট্রেডিং শুরুর আগে বিভিন্ন নিউজ সাইট ঘুড়ে দেখতে হবে, যে সকল কারেন্সিতে হাই-ইনপেক্ট নিউজ আছে সে সকল কারেন্সিগুলো সাবধানে ট্রেড ওপেন করতে হবে এবং টাইট sl ব্যবহার করতে হবে...
10. সব সময় চার্ট ওপেন করে না থেকে, বাইরে ঘুরাঘুরি করতে হবে... ট্রেড করার সময় মাথা ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করতে হবে, ট্রেডিং-এর পাশাপাশি হাল্কা বিনোদনের ব্যবস্থা রাখতে হবে...
#happy_trading

#ফরেক্স_মার্কেট_কোরিলেশন

ইউএসডিএক্স হলো ইউএসডি এর স্ট্রেন্থ পরিমাপক। সুতরাং এটা পানির মতো সরল যে, USDX এর ভ্যালু উপরের দিকে বাড়লে পেয়ারের USD এর ভ্যালুও বাড়বে। USDX এবং USD এর ট্রেন্ড একই দিকে।

#ফরেক্স_মার্কেট_কোরিলেশন

গোল্ডের দাম বাড়লে যেভাবে ধরে নেওয়া যায়, এবার ইউএসডি ফল করবে সেই সাথে এটাও ধরে নেওয়া যায় এবার AUD এর ভ্যালু বাড়তে পারে। এর পিছনে অন্যতম প্রধান কারণ হলো ; গোল্ড উৎপাদনে অস্ট্রেলিয়া ওয়ার্ল্ডের সবচেয়ে উপরের দিকের একটা দেশ।

#ফরেক্স_মার্কেট_কোরিলেশন

থিওরি অনুসারে, ইউএসডি-গোল্ড সবসময় বিপরীতমুখী অবস্থান নিয়ে থাকে৷


এখানে গতানুগতিক যুক্তি হল যে অর্থনৈতিক দুঃসময়ে, ইনভেস্টররা গ্রীনব্যাকের চেয়ে গোল্ডকে বেশী পছন্দ করে।
অন্যান্য সম্পদের চেয়ে, গোল্ড নিজের খাঁটি মান বজায় রাখে।